Translate

Showing posts with label রাঁধুনি_recipe. Show all posts
Showing posts with label রাঁধুনি_recipe. Show all posts

Monday, 21 February 2022

Tomato Jhal Tok / টমেটোর ঝাল টক

টমেটোর ঝাল টক 

মধ্যযুগের উল্লেখযোগ্য সাহিত্য সম্পদ গুলিতে বারবার বাঙালি রান্নার কথা ঘুরে ফিরে উল্লেখিত হয়েছে। ভেতো বাঙালির শাক দিয়ে শুরু করে শুক্তো, মৎস্যপদ অতিক্রম করে অম্বলে সমাপ্তি হত। যদিও এরপরে থাকত মিষ্টান্ন, তবে তা ভাতে খাওয়ার জন্য নয়।

কাজেই সব ভালো, যার শেষ ভালো । তাই এই অম্বল পদটি অত্যন্ত গুরুত্বদিয়েই রান্না হত বাঙালির পাকশালায়।

ছোটো থেকেই একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খেতো টক আর চাটনির প্রভেদ কী? কারণ মা বাড়িতে টমেটোর চাটনি, মাঝে মাঝে আমড়ার চাটনি বানাতেন। মিষ্টি দিয়ে যতটা টক কাটানো যায়, ঠিক ততটা চিনি দিতেন, সাথে টক স্বাদ ও থাকত। আবার ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে, তেঁতুল দিয়ে ঐ একই রকম ভাবে যে চাটনি বানাতেন, সেটাকে বলতেন টক।

কাজেই সবটাই ছিল চাটনি আর টক। কিন্তু বিয়ের পর, এবাড়িতে যখন এলাম, দেখলাম অন্য রেসিপি, দুটোর। এখানে টক মানে চিনি বর্জিত খাট্টা তরল। যদিও আমার জন্য এক কড়াই ঝোলে ২ চামচ চিনি দেন শ্বাশুড়ি মা।

কিন্তু এখন টক ও চাটনির বেসিক সংঞ্জাটা আপনাদের জন্য দিলাম।

টক ও অম্বল:  টক শব্দটি সংস্কৃত 'তক্র' যা ঘোল নামে পরিচিত। এর থেকেই উৎপত্তি বলে ধারনা করা হয়। 

অম্বল শব্দটি সংস্কৃত>পালি>প্রাকৃতের পথ অতিক্রম করে বাংলায় অম্বল নাম নিয়েছে। এরা আসলে একই অঙ্গে দুটো নাম। অম্বল  হল, যে কোনও টক ফল, সবজি দিয়ে তৈরি চিনি বর্জিত তরল বা খাট্টা ঝোল। (বি.দ্র. এখন অনেকে ভীষণ খাট্টা ভাবটা দূর করতে ১/২ চামচ চিনি যোগ করেন)

চাটনি: টক ফল বা সবজি দিয়ে তৈরি চিনি মিশ্রিত ঘন পদ হল চাটনি। 

টকের মধ্যে অম্বল ও চাটনি দুটোই পড়ে। 


https://youtu.be/HAoUdTqgwBM

আজকের রান্না এই  টক বা অম্বল

প্রধান উপকরণ : টমেটো/ আমচুর পাউডার / লবণ/ হলুদ

আনুসাঙ্গিক : রসুন ও কারিপাতা

ফোড়ন: সরিষা, শুকনো লংকা, কাঁচা লংকা

প্রণালী :

প্রথম পর্ব : সরিষা তেলে গোটা সরিষা, লংকা, রসুন, কারিপাতা ফোড়ন দিতে হবে। 

দ্বিতীয় পর্ব : কাটা টমেটো যোগ করে ভালো করে কষাতে হবে। সেই সঙ্গে লবণ ও হলুদ যোগ করে কিছুক্ষণ নেড়ে পরিমান মতো জল যোগ করতে হবে। একবার ফুটে উঠলে, আমচুর পাউডার মিশিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে, নামানোর আগে  আরও একবার কারিপাতা যোগকরে নামিয়ে পরিবেশন। 

শেষপাতের খাট্টা, মুখের স্বাদ কোরক খুলে যাবে। শেষ পাতের অম্বল আসলে হজমে সহায়তা করে, তাই এটি খাওয়ার শেষে খেতে হয়। 



Wednesday, 13 October 2021

 

পটল গোবিন্দঃ

উপকরণ
উপকরণঃ

পটল ৭টা (প্রয়োজন মতো) / আলু দুটো / আদা / টমেটো/ ১-কাপ গোবিন্দভোগ চাল/ ঘি দু-চামচ / চিনি এক চামচ (বড়ো) / গোটা গরম মশলা/ এক কাপ দুধ / লবণ / হলুদ/ গোটা শুকনো লংকা (ফোড়নের জন্য)/ কাঁচা লংকা (ঝাল প্রিয়তা অনুসারে)/ ধনে গুঁড়ো/জিরে গুঁড়ো। ( আমিষ রান্না করলে ২টি পেঁয়াজ ও ৬ কোয়া রসুন))

প্রণালীঃ

পটল গোবিন্দ
পর্ব ১ঃ কড়াতে এক চামচ ঘি ও সামান্য তেলের মিশ্রণে গোটা গরম মশলা, তেজপাতা,শুকনো লংকা ফোড়ন দিয়ে ঐ তেলে জলে ভালো করে ধুয়ে রাখা জল ঝরানো, গোবিন্দভোগ চাল ভেজে নিতে হবে।

পর্ব ২ঃ পটল চাকা চাকা করে চোটো আকারে কাটা, আলু ডুমো করে ছোটো আকারে কেটে দুটো উপকরণকেই আলাদা ভাবে লালচে করে ভেজে নিতে হবে।

পর্ব ৩ঃ এবার অবশিষ্ট তেলে ( কুড়ানো পেঁয়াজ ও রসুন কষাতে হবে আমিষ রান্নার ক্ষেত্রে।) টমেটো কুচি দিয়ে কিছুটা কষানো হলে সমস্ত মশলা উপকরণ দিয়ে ভালো করে মশলা কষিয়ে তেল ছেড়ে এলে, ঐ মশলায় ভেজে রাখা চাল ও আলু,পটল দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে।

পর্ব ৪ঃ মিশ্রণে জল মাপ মতো দিতে হবে ( চাল ঃ জঃ/ ১ঃ ২) হিসাবে দিতে হবে, তবে এক্ষেত্রে এককাপ জল ও এককাপ দুধ দিতে হবে,তাই আরও হাফ কাপ জল মিশিয়ে, মিশ্রণে স্বাদমতো লবণ ও চিনি মিশিয়ে, ঢাকা দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। নামানোর ঠিক আগে সামান্য গরম মশলা ও ঘি ছড়িয়ে দিলেই তৈরি মজাদার পটল গোবিন্দ।

Sunday, 5 September 2021

পঞ্চরত্ন গোলারুটি(golarooti)

 পঞ্চরত্ন গোলারুটি


খাদ্য তালিকার একটা উপাদেয় খাদ্য 'গোলারুটি'।

এটাকে মুখোরোচক সবজি মিশ্রিত করলে তার পুষ্টিগুণ দ্বিগুণ মাত্রায় বেড়ে যায়.... বাচ্চারা নানা রকমের খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হয়, যদি তা মুখোরোচক হয়। রবিবারের রান্নায় আজ থাকল তেমনই একটি পদ্ধতি—

আপনাদের জন্য

পঞ্চ উপকরণ 


উপকরণ:

ক) আটা/ময়দা বা দুটোর মিশ্রণ ১ কাপ, খ) ক্যাপসিকাম, পেঁয়াজ, টমেটো, ধনেপাতা, ও সিদ্ধ আলু ২টি, গ) এক চিমটে খাওয়ার সোডা,/১টা ডিম, ঘ) লবণ, ঙ) গোলমরিচ গুঁড়ো, চ) সাদা তেল



প্রণালী:

পর্ব ১: সমস্ত সবজি কুচো আকারে কেটে নিতে হবে।

           সিদ্ধ গোটা আলি গ্রেট করে নিতে হবে।

           

পর্ব ২ :একটা পাত্রে ময়দা নিয়ে তাতে বেকিং সোডা                            দিয়ে মিশিয়ে নিয়ে অল্প অল্প জল মিশিয়ে মধ্যম মানের তরল করতে হবে।

মিশ্রণ


পর্ব ৩ : ঐ মিশ্রণে সবজির সমস্ত ও লবণ, গোলমরিচ মিশিয়ে ঘনত্ব দেখতে হবে, বেশি মনে হলে আরেকটি জল মিশিয়ে নিতে হবে। 


পর্ব ৪ : এবার তাওয়া গরম করে সামান্য তেল দিতে হবে। পাত্রের মিশ্রণ হাতায় করে দিয়ে গোল রুটির আকারে ছড়িয়ে একটা ঢাকা ৩ মিনিট চাপা দিয়ে ভেজে নিতে হবে। এভাবে দুপিঠই হবে। 


তৈরি গরম গরম ব্রেকফাস্ট বা ডিনার। 

খেতে পারেন, পুদিনা চাটনি, সস, বা ডিমের কারি সহযোগেও


পুদিনা চাটনি: পুদিনাপাতা রসুন কাঁচা লংকা সহযোগে বেটে নিয়ে, লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। তেঁতুলের গোলাও চলবে। 


প্রস্তুত..... মুখোরোচক পুষ্টিকর গোলারুটি। 


পঞ্চরত্ন গোলারুটি

Sunday, 29 August 2021

ঝিঙে বাটায় রসনার তৃপ্তি

ঝিঙে বাটায় রসনার তৃপ্তিঃ

ঝিঙে বাটার উপকরণ


অসাধারণ খনিজ উপাদান,কার্বোহাইড্রেট,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিবিধ উপাদান সমৃদ্ধ এই সবুজ সবজির পুষ্টিগুণ আর উপকারিতার কোনও ঘাটতি নেই, তবু খাদ্য তালিকায় ঝিঙে দেখলেই অনেকেরই বিরক্তি লাগে। এই ফাইবার সমৃদ্ধ সবজিটির একটা নিজস্ব বুনো গন্ধ আছে,তাই অনেকেরই না-পসন্দ ঝিঙে। অথচ এটি লিভার,ত্বক,রক্ত সবকিছুকেই সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আমরা সাধারণত ঝোল বা রোগীর পথ্য হিসাবেই ঝিঙেকে চিনি,কারণ ঝিঙে মাছের বা বড়ার ঝোলেই বেশি প্রয়োগ হয়। 

 আজ আপনাদের জন্য একটি অভিনব ও রসনা তৃপ্তিদায়ক রেসিপি রইল----
স্বাদের ঝিঙে বাটা


উপাদানঃ   ১ ) ঝিঙে ৩টি,  ২) রসুন ৬-৮টি কোয়া,  ৩) কাঁচা লংকা ৩টি,  ৪) একটা মিহি কাটা পেঁয়াজ,  ৫) কালোজিরে ফোড়নের মতো, ৬) লবণ,  ৭) চিনি স্বাদমতো, ৮) হলুদ,৯) সরিষার তেল চারপলা। ( প্রয়োজনে বেশি দেওয়া যেতে পারে)।

প্রাণালী ঃ
  
পর্ব ১ঃ  ঝিঙের খোসা ছাড়িয়ে পিস পিস করে কেটে নিতে হবে। এবার মিক্সির বাটিতে কাঁচা লংকা,রসুন কোয়া, আর কাটা ঝিঙে টুকরো নিয়ে একসাথে পেস্ট করে নিতে হবে।

পর্ব ২ঃ  কড়াইতে তেল গরম হলে তাতে কালোজিরে আর মিহিকাটা পেঁয়াজ ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ বাদামি হওয়া পর্যন্ত নাড়তে হবে। পেঁয়াজ নরম হলে তাতে ঐ বাটা উপকরণ যোগ করে আন্দাজ মতো লবণ দিয়ে দিতে হবে। এই অবস্থায় ঝিঙে বাটা-টা ক্রমাগত নাড়তে নাড়তে শুকিয়ে আনতে হবে। প্রায় শুকনো হলে লবণ চেক করে, নিজের স্বাদমতো চিনি ১চামচ বা ১/২ চামচ দিতে হবে। 
{ যারা মিষ্টি বেশি খান তারা একটু চেখে দেখে দেবেন। তবে ঝিঙের পরিমানের সাথে বুঝে লবণ বা চিনি দেবেন।}
পুরো শুকিয়ে গা-মাখা হয়ে তেল ছেড়ে এলে নামিয়ে ফেলুন ও গরম ভাতে পরিবেশন করুন। 

ঝিঙের গুণের পরিপূর্ণ উপস্থিতির পরও মুখোরোচক ঝিঙে

ঝিঙেবাটার কাঁচা মিশ্রণ


Saturday, 7 August 2021

the hidden agenda of veg chanadal recipe নিরামিষ চানাছানা

 

শনিবারের স্বাদ

নিরামিষ মানেই গৃহিণীদের কপালে ভাঁজ। বিশেষ করে বাঙালি পরিবারে মাছ ছাড়া চলেই না যেন। হাঁড়িতে একমুঠো কম চাল নেওয়ার দিন। সেইসব গৃহিণীদের জন্য মজাদার “নিরামিষ চানাছানা” বাড়িতে থাকা সামান্য উপকরণেই বাজিমাত।

নিরামিষ চানাছানা(chanadal recipe):

উপকরণঃ


উপকরণ
 veg chanadal recipe

                                                       

এককাপ ছোলার ডাল/ পঞ্চাশগ্রাম ছানা/ ক্যাপসিকাম / টমেটো ১টা পেস্ট করা / ১ চামচ জিরে গুঁড়ো/ ১ চামচ ধনে গুঁড়ো/হলুদ/ শুকনো লংকা ২টো/ আদা/ গোটা গরম মশলা--- হাফ ইঞ্চি দারচিনি, ২টো এলাচ.২টো লবঙ্গ /  তেজপাতা ২টো/ গোটাজিরে ফোড়নের মতো/ ঘি / কিশমিশ / ডুমো করে কাটা আলু / গুঁড়ো গরমমশলা।

প্রণালীঃ

 পর্ব ১ঃ   তেল গরম হলে কেটেরাখা আলু ভেজে নিয়ে তুলে রাখতে হবে।

 পর্ব ২ঃ তেলে তেজপাতা,গোটাজিরে,গোটা গরম মশলা,শুকনো লংকা, ফোড়ন দিতে হবে। হালকা গন্ধ বেরোলে, সামান্য হাফ চামচ চিনি তেলে দিয়ে, ওতে টমেটো পিউরিটা দিয়ে কিছুক্ষণ কষাতে হবে।

পর্ব ৩ঃ মশলা হাফমজা হলে,ক্যাপসিকাম ও বাকি সমস্ত মশলা দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কষাতে হবে মশলাটাকে। তেল ছেড়ে এলে ওর সাথে ভাজা আলু আর আগে থেকে ভিজানো ছোলার ডালটা দিয়ে আরও বেশ খানিকক্ষণ কষাতে হবে। তেল ভালোমতো বেরিয়ে এলে,ওর মধ্যে ছানাটা যোগ করে সামান্য নাড়াচাড়া করার পর প্রয়োজন মতো জল দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। মিনিট কয়েক পর, প্রায় ঘন থকথকে হলে রান্না প্রস্তুত। নামানোর ঠিক আগে এক টেবিল চামচ ঘি ও গরম মশলা ছড়িয়ে একটু নেড়ে মিশিয়ে দিতে হবে।

<META NAME="Title" CONTENT="veg chanachana recipe">
নিরামিষ চানাছানা 
veg chanadal recipe

প্রস্তুত মজাদার চানাছানা। বাড়িতে থাকলে একচামচ পরিমান বাসিল পাতা ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে। তারপর গরম গরম পরিবেশন। খাবার টেবিলে ঢাকনা খুললেই গন্ধে জিভে জল।  

 

 

Wednesday, 28 July 2021

আমফান— আমের তৈরি মিষ্টান্নdelicious mango dessert mabe by milk meta

 

আমফান—আমের তৈরি মিষ্টান্ন    

রুমকি রায় দত্ত

মুর্শিদাবাদের নবাবের আমপ্রিয়তার কথা কে, না-জানে। তিনি নাকি সারাবছর আম খেতেন। বিস্তীর্ণ বাগানজুড়ে আমগাছে রাশি রাশি আমের ফলন। সুস্বাদু রসালো সেই আম সংরক্ষণ করা থাকত পিপে ভর্তি ঘিয়ের পাত্রে ডুবিয়ে। ঘি ভালো সংরক্ষক। মহাভারতে গান্ধারীর অপরিণত গর্ভের ১০১টি মাংস পিণ্ড দুইবছর ধরে সংরক্ষিত ছিল ঘিয়ের পাত্রে।

কিন্তু বর্তমান সময়ে সারাবছর আমের স্বাদ পাওয়ার জন্য আর ঘিয়ের প্রয়োজন নেই। এখন কোল্ড স্টোরে সংরক্ষিত আম সারাবছর-ই বাজারে মেলে। তাই আমফানের স্বাদ নিতে গ্রীষ্মের অপেক্ষারও প্রয়োজন নেই।

আজ রইল ফলের রাজা আমের তৈরি সুস্বাদু ডেজার্ট #আমফান


<title>mango dessert aamfun</title>
<meta name= " />
আমফান--আমের মজা


  • উপকরণঃ  ১০০গ্রাম গোবিন্দভোগ চাল, ১লিটার দুধ, একমুঠো রোস্টেড সিমুই, তিনটি পাকা ল্যাংড়া আমের পাল্প ( সুগন্ধী যে কোনও আম ব্যবহার করা যেতে পারে), মিহি কাটা আমন্ড ও কাজু বাদাম, বড়ো দু-চামচ ঘি, চিনি পাউডার ( দানাও চলবে), ৫০ গ্রাম খোয়া (ক্ষীর) অবর্তমানে ৫০০লি দুধ ঘন করেও বাড়িতে করা ক্ষীর চলবে। একচিমটে কেসর। 
  • প্রণালীঃ
  • পর্ব ১ ঃ চাল জলে ধুয়ে আধঘন্টা রেখে জল শুকিয়ে মিক্সিতে গুঁড়ো করে  নিতে হবে। দানাদার হতে হবে। মিহি হলে চলবে না।
  • পর্ব ২ ঃ কড়াই-তে ঘি দিয়ে,গুঁড়ো চাল আর সিমুই হালকা নেড়ে নিতে হবে। এবার আগে থেকে ফুটিয়ে রাখা এক লিটার দুধ ঐ মিশ্রণে একটু একটু করে মেশাতে হবে আর ক্রমাগত নাড়তে হবে, যাতে চাল দলাপেকে না যায়। মিশ্রণটি নাড়তে নাড়তেই ওর মধ্যে খোয়া গ্রেট করে মিশিয়ে দিতে হবে ও নাড়তে হবে। বেশ কিছুটা থকথকে ঘন ভাব হলে স্বাদমতো চিনি ওতে যুক্ত করতে হবে।
  • পর্ব ৩ ঃ নামানোর ২ মিনিট আগে মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে, আগে থেকে তৈরি রাখা পাকা আমের পাল্প ঐ মিশ্রণে দিয়ে হালকা হাতে দু-মিনিট নেড়ে নিতে হবে।
  • পর্ব ৪ ঃ নামানোর আগে ভেজা আঙুলের ডগায় লেগে থাকা পরিমাণ লবন ঐ মিশ্রণে মিশিয়ে, উপরে কেশর আর আমন্ড, কাজু কুচি ছড়িয়ে ঠান্ডা হতে দিন। ফ্রিজে ঘন্টাখানেক রেখে খেলে স্বাদ ভালো বোঝা যাবে।
সুস্বাদু ডেজার্ট আমফান

বাড়িতে অতিথি আসুক বা স্পেশাল দিন--- খাবার শেষে মিষ্টিমুখে আমের তুলনা নেই।