অসাধারণ খনিজ উপাদান,কার্বোহাইড্রেট,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিবিধ উপাদান সমৃদ্ধ এই সবুজ সবজির পুষ্টিগুণ আর উপকারিতার কোনও ঘাটতি নেই, তবু খাদ্য তালিকায় ঝিঙে দেখলেই অনেকেরই বিরক্তি লাগে। এই ফাইবার সমৃদ্ধ সবজিটির একটা নিজস্ব বুনো গন্ধ আছে,তাই অনেকেরই না-পসন্দ ঝিঙে। অথচ এটি লিভার,ত্বক,রক্ত সবকিছুকেই সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আমরা সাধারণত ঝোল বা রোগীর পথ্য হিসাবেই ঝিঙেকে চিনি,কারণ ঝিঙে মাছের বা বড়ার ঝোলেই বেশি প্রয়োগ হয়।
আজ আপনাদের জন্য একটি অভিনব ও রসনা তৃপ্তিদায়ক রেসিপি রইল----
উপাদানঃ ১ ) ঝিঙে ৩টি, ২) রসুন ৬-৮টি কোয়া, ৩) কাঁচা লংকা ৩টি, ৪) একটা মিহি কাটা পেঁয়াজ, ৫) কালোজিরে ফোড়নের মতো, ৬) লবণ, ৭) চিনি স্বাদমতো, ৮) হলুদ,৯) সরিষার তেল চারপলা। ( প্রয়োজনে বেশি দেওয়া যেতে পারে)।
প্রাণালী ঃ
পর্ব ১ঃ ঝিঙের খোসা ছাড়িয়ে পিস পিস করে কেটে নিতে হবে। এবার মিক্সির বাটিতে কাঁচা লংকা,রসুন কোয়া, আর কাটা ঝিঙে টুকরো নিয়ে একসাথে পেস্ট করে নিতে হবে।
পর্ব ২ঃ কড়াইতে তেল গরম হলে তাতে কালোজিরে আর মিহিকাটা পেঁয়াজ ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ বাদামি হওয়া পর্যন্ত নাড়তে হবে। পেঁয়াজ নরম হলে তাতে ঐ বাটা উপকরণ যোগ করে আন্দাজ মতো লবণ দিয়ে দিতে হবে। এই অবস্থায় ঝিঙে বাটা-টা ক্রমাগত নাড়তে নাড়তে শুকিয়ে আনতে হবে। প্রায় শুকনো হলে লবণ চেক করে, নিজের স্বাদমতো চিনি ১চামচ বা ১/২ চামচ দিতে হবে।
{ যারা মিষ্টি বেশি খান তারা একটু চেখে দেখে দেবেন। তবে ঝিঙের পরিমানের সাথে বুঝে লবণ বা চিনি দেবেন।}
পুরো শুকিয়ে গা-মাখা হয়ে তেল ছেড়ে এলে নামিয়ে ফেলুন ও গরম ভাতে পরিবেশন করুন।
ঝিঙের গুণের পরিপূর্ণ উপস্থিতির পরও মুখোরোচক ঝিঙে



No comments:
Post a Comment